Negative Thinking দূর করতে দিন শুরু করুন হনুমান চালিশা দিয়ে

Start the day with Hanuman Chalisa to Eliminate Negative Thinking


How to remove negative thoughts, How to remove negative thinking


Topic of Discussion : 1.What is Negative thinking?
             2.Why negative thoughts Come?
3.Effects of Negative thinking?
4.How to Overcome Negative thoughts by Hanuman Chalisa.

আমাদের প্রাত্যহিক জীবন দ্রুত জটিল থেকে জটিলতর হয়ে পড়ছে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এমন কিছু ঘটছে যা আমাদের মনে নেতিবাচক চিন্তার জন্ম দিচ্ছে। এই Negative Thinking আমাদের জীবনে অনেক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সব থেকে মজার ব্যাপার আমরা আমাদের মনের মধ্যে চলতে থাকা Negative Thinking গুলোকে চিনতেই পারি না। আমরা এগুলোকে স্বাভাবিক বলে মনে করি। আজকে আমরা জেনে নেব Negative Thinking কি? কিভাবে Negative Thinking কে চিহ্নিত করব? আমাদের জীবনে এর কি প্রভাব পড়ে? কিভাবে হনুমান চালিশা দ্বারা এই নেতিবাচক চিন্তা দূর করব?

What is Negative Thinking :

নেতিবাচক চিন্তাভাবনা নিজের এবং আপনার চারপাশের সবকিছু সম্পর্কে না বাচক চিন্তাভাবনার একটি বিন্যাসকে বোঝায়। চারপাশে ঘটতে থাকা যেকোন ঘটনাকে নিজের জীবনের সঙ্গে জুড়ে কোন সাম্ভব্য খারাপ কিছুর আশঙ্কা করা।

Why Negative Thoughts Come :

আমাদের প্রত্যেকের মনে বাইরের ঘটনা গুলো নিজের মনের মধ্যে বর্ননা করার কিছু নকশা বা Pattern রয়েছে। এই নকশা বা Pattern গুলো আমাদের চারপাশে বিভিন্ন ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলো ব্যখ্যা করে। আর সেখান থেকেই আমাদের বিভিন্ন চিন্তাধারা গড়ে ওঠে। এবার অনেকের এই Pattern এ কিছু সমস্যা থাকে তার থেকে নানান নেতিবাচক চিন্তা আসে। 


নেতিবাচক চিন্তা বা Negative thoughts কেন হয় এর কারন হিসেবে মনঃস্তাত্মিক বিদদের মতে দুটো কারন রয়েছে :

  • Biological Cause 
  • Psychological Cause 
Biological Cause : এই প্রক্রিয়ায় ঐ ব্যক্তির মাথার ভেতরের এই তিনটি রাসায়নিকের অসঙ্গতি দেখা যায় যথা : Serotonin, Norepinephrine এবং Dopamine.

Psychological Cause : হঠাৎ জীবনে কিছু খারাপ ঘটনা ঘটলে মনে নেতিবাচক চিন্তার চক্র চলে। এই নেতিবাচক চিন্তা বা Negative thought এ ঐ ব্যক্তি সব ভাল কিছু বা স্বাভাবিক কোন ঘটনার মধ্যেও খারাপ কিছু ঘটবার আশঙ্কা করে।

প্রতিনিয়ত নেতিবাচক চিন্তা বা নেতিবাচক চিন্তাধারার লোকজনের যদি সংস্পর্শে থাকলে যেকোন ব্যক্তির চিন্তা ভাবনায় প্রভাব পড়ে।

একটি উদাহরণ দিয়ে জিনিসটি বোঝা যাক।
এক ছাত্র স্কুলে তার ক্লাসে গিয়ে এক সহপাঠির দিকে তাকিয়ে হাসল। কিন্তু কোন কারন বশত সেই সহপাঠি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিল না হেসে। এখানে একজন যার চিন্তায় Negative thinking এর প্রভাব আছে সে এই ছোট্ট ঘটনা থেকে অনেক কিছু Negative ঘটনা মাথায় ঢুকিয়ে নেবে। যেমন: ঐ ছেলেটি আমায় দেখে হাসল না? তার মানে আমি খারাপ ছেলে? আমি দেখতে খারাপ তাই আমাকে দেখে ও হাসল না। আমার কোন বন্ধু হবে না। আমাকে কেউ ভালবাসবে না। আমি এই ভাবেই একা একা বড় হব। কেউ আমার কাছে আসবে না। আমি এই ভাবেই বুড়ো হয়ে যাব আর এভাবেই একা একাই মারা যাব।

দেখুন একটি ছোট্ট ঘটনা থেকে ছেলেটি কত কিছু Negative ভেবে নিল। এই কোন সাধারণ ঘটনা থেকে যখন সব কিছু মনের মধ্যে একটি নেতিবাচক একটি কিছু ছবি তৈরি হয় তখন তাকে বলা হয় Negative Thinking.

Effects of Negative Thinking  :

আমাদের জীবনে মারাত্মক প্রভাব ফেলে এই নেতিবাচক চিন্তা গুলি। এবার ঐ ছাত্রের উদাহরন দিয়েই Negative Thinking এর প্রভাব গুলি বোঝা যাক।

ঐ ছাত্রটির মনে ঐ ঘটনার পর ক্রমাগত অনেক গুলো নেতিবাচক চিন্তা ঘোরাফেরা করবে। চিন্তাটি আসবে একেবারে ক্রমাগত। এবং এর ফলে সে তার পড়ায় কোন Energy পাবে না। খুব অলসতা আসবে ঐ ছাত্রটির শরীর ও মনে। পড়াশুনার Motivation একেবারেই চলে যাবে। ছেলেটি রাতে যখন পড়তে বসবে তখন সে কিছুই মনে করতে পারবে না। সে মনে করবে তার স্মরণ শক্তি বা Memory ও নষ্ট হয়ে গেছে। এই সব কিছুর ফলে ছাত্রটি Depression এ চলে যাবে ধীরে ধীরে।

এবার আসি Negative Thinking আমাদের শরীর ও মনে কি রকম প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রভাব ফেলে। এর প্রভাব অনেক রয়েছে এবং ব্যক্তি বিশেষে এটি ভিন্ন প্রভাব ফেলে। যদিও এর কিছু সাধারণ প্রভাব দেখা যায় যা বেশিরভাগ লক্ষ্য করা যায়।

  • নেতিবাচক চিন্তা যুক্ত ব্যক্তি কোন কাজেই Motivation পায় না।
  • কাজের Energy একেবারে হারিয়ে ফেলে।
  • শ্মরন শক্তি লোপ পায়।
  • ঐ ব্যক্তির ক্ষুধা পরিবর্তন ঘটবে। অর্থাৎ ক্ষুধা বৃদ্ধি পাবে বা হ্রাস পাবে। 
  • বুক ব্যাথা এবং বুকে অদ্ভুত অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।
  • কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া হতে পারে।
  • শুষ্ক মুখ অর্থাৎ মুখের লালারস শুকিয়ে আসতে পারে।
  • চরম ক্লান্তি দেখা দিতে পারে। কোন কাজেই Motivation আসবে না।
  • সবসময় মাথাব্যাথা বা মাথায় অস্বস্তি অনুভব হবে।
  •  উচ্চ্ রক্তচাপ অনিবার্য।
  • অনিদ্রা অর্থাৎ ঘুমের সমস্যা দেখা দেবে। কখনও কখনও ঘুম এলেও মাঝ রাতে বা খুব ভোরে ঘুম ভেঙ্গে যায়।
  • হৃদ স্পন্দন বেড়ে গিয়ে বুক ধড়ফড়  করার অনুভূতি হয়।
  • যৌন সমস্যা তৈরি হয়।
  • শ্বাস প্রশ্বাসে দুর্বলতা দেখা দেয়।
  • অহেতুক শরীরে ঘাম হয়।
  • ওজন বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়।
  • Depression চলে আসে।

How to Overcome Negative Thought :

প্রথমত কারো যদি খুব বেশি করে Negative thought আসে অবশ্যই কোন ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। তারা আপনার মস্তিষ্কের বিভিন্ন রাসায়নিক গুলোর মধ্যে সমতা আনতে পদক্ষেপ গ্রহন করবে চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুযায়ী।

তবে এই নেতিবাচক চিন্তা কম করতে আপনি নিজে নিজে কিছু পদক্ষেপ গ্রহন করতে পারেন। 

প্রথমত : আপনি আগে আপনার চিন্তা গুলোকে চিনুন। সেগুলো কোন ধরনের। তবে একথা সত্য Negative Thought এখন আমাদের কাছে এতটাই সাধারণ হয়ে পড়েছে যে আমরা চিহ্নিত করতেই অক্ষম হয়ে পড়েছি যে এগুলো নেতিবাচক চিন্তা। তাই বলা হয় Thoughts কে চেনা যায় না কিন্তু Emotion কে চেনা যায়। আপনি লক্ষ্য করুন কোন চিন্তা গুলো আপনাকে কষ্ট দিচ্ছে।

দ্বিতীয় ধাপ: আপনি যখন পাচ্ছেন  তখন থেকে ঠিক 15 মিনিট আগে আপনার মনকে নিয়ে যাবেন। চিন্তা করুন কোন ঘটনা আপনার সঙ্গে ঘটল যার ফল স্বরুপ আপনার মনে এই নেতিবাচক চিন্তা আসছে।

তৃতীয় ধাপ : এবার আশা করি আপনি সেই ঘটনাকে শনাক্ত করে ফেলেছেন যার জন্য আপনার মনে Negative Thought গুলো আসছে। এবার নিজেকে কতক গুলি নিজকে প্রশ্ন করুন :

  1. আপনার নিজেকে নিজের প্রথম প্রশ্ন হবে এই যে আমার মনে যে চিন্তা ঘুরছে আমার সাম্ভব্য ঘটনাগুলি আমার সঙ্গে হতে পারে তার প্রমাণ কি? সাম্ভব্য ঘটনা কি আমার চিন্তার ওপর নির্ভরশীল? আমি যা যা এত দিন ভাল খারাপ চিন্তা করে এসেছি সেগুলো কি সবই আমার সঙ্গে ঘটেছে?
  2. এবার আপনার মন হয়ত প্রমাণ খুঁজে পাবে যে ঠিক কোন ঘটনায় আপনার মন নেতিবাচক চিন্তা করছে। এবার আপনার প্রশ্ন হবে যে এই প্রমানটি কতটা যুক্তিযুক্ত? যদি ঐ ছাত্রের উদাহরন নি তাহলে বলা যেতে পারে যে তার এক বন্ধু মাত্র একবার মুখ ঘুরিয়ে নেওয়াতে কি এত কিছু ধরে নেওয়া কত শতাংশ ঠিক বলে মনে হয়?
  3. এরপরে ভাবুন যে আপনার যে ঘটনায় নেতিবাচক চিন্তা আসছে তার সেই ঘটনার উদ্দেশ্য কি আর কিছু হতে পারে? যদি ঐ ছাত্রটির কথা বলি তবে তার উওর হবে যে হ্যাঁ আরও অনেক কারণ হতে পারে তার না হেসে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার। সে তার পড়ায় ব্যস্ত থাকতে পারে। সে হয়ত তাকে লক্ষ্য করে নি ঠিক মত। হয়ত সে নিজেই কোন চিন্তায় মগ্ন ছিল। এবার ছাত্রটির উওর হবে যে হ্যাঁ হতেই পারে। এবার তার সামনে অনেক গুলো যুক্তি এসে যাবে তার বন্ধুর মুখ ফিরিয়ে নেবার।
  4. এবার ভাবুন এই নেতিবাচক চিন্তা আপনার মনে ও শরীরে কি কি প্রভাব ফেলছে?
  5. আপনার নিজকে করা শেষ প্রশ্ন, আপনি যা  সাম্ভব্য ঘটনা চিন্তা করে কষ্ট পাচ্ছেন সেটি ছাড়া আর অন্য কোন সেই ঘটনার কারন হত তাহলে আপনার কেমন অনুভব হত?
চতুর্থ ধাপ : এই ধাপটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই ধাপে আপনি আপনার রোজের যে রুটিন রয়েছে তার সামান্য পরিবর্তন করতে হবে। আপনি সকাল বেলা খবরের কাগজ থেকে একটু দূরে থাকুন। সকালে উঠে অন্তত একবার অর্থ সহ হনুমান চালিশা পাঠ করুন নিয়ম মেনে। সেটি হয়ে গেলে হনুমানজী বা অন্য কোন ধার্মিক চর্চা সম্পর্কে লেখা গুলি পড়ুন আর কিছুক্ষণ ধ্যান করুন। আপনার দিন শুরু আর শেষ হোক হনুমান চালিশা দিয়ে। খবরের কাগজে বেশিরভাগ খবরই কিন্তু নেতিবাচক খবর থাকে। কলকাতার কোথাও কোন বাড়িতে হয়ত চুরি হয়েছে আপনি সেই খবর আপনি কাগজে পড়বেন কিন্তু কলকাতায় হাজারো পরিবার যে সেই রাতেই ঠিকঠাক ঘুমোলো তা কিন্তু খবরে আসে না। আর আমাদের মস্তিষ্ক সকাল বেলা কিন্তু একদম শান্ত থাকে। এই সময় আপনার মস্তিষ্ক যা গ্রহন করবে তাই কিন্তু আপনার সারা দিনের পাথেয় হয়ে উঠবে। তাই সকালটা শুরু হোক আধ্যাত্মিক ভাবে। প্রথমে একটু অসুবিধা হলেও আপনি এই নিয়ম এক মাস পালন করে দেখুন আপনার চিন্তা এবং তার সঙ্গে জীবনের কোন পরিবর্তন আসে কি না?


2 thoughts on “Negative Thinking দূর করতে দিন শুরু করুন হনুমান চালিশা দিয়ে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *